Technology

অনলাইনে ইনকাম করার ১১ ট্রিক্স- Online income

টাকা আয় বলতে আমরা সাধারণত বুুঝি শারীরিক ও মানসিক পরিশ্রমের দ্বারা অর্জিত অর্থকে এবং এটা অনেকটাই নির্ধারিত। কিন্তু অনলাইন ইন্টারনেট জগৎ আমাদের জিবনের বড় একটি অংশ জুড়ে দখল করে নেওয়ায় অনেকেই চিন্তাভাবনা করেন যদি অনলাইনে ইনকাম করা যেতো তাহলে কতই না ভালো হতো। এজন্য যারা অন্তত দিনের কিছু সময় ইন্টারনেট নিয়ে ঘাটাঘাটি করে তারা চায় তাদের দেনদৈনিক আয় বাড়াতে ইন্টারনেট সাহায্য। সে বিষয় নিয়ে আমি কথা বলব। online income করার বিভিন্ন রকমের পদ্ধতি রয়েছে। এজন্য প্রথমেই দরকার হবে আপনি যে প্লাটফর্মটি পছন্দ করেন ভালোবাশেন সেটি নিয়ে কাজ করার। আর শুরুতেই আপনি মনে করবেন না যে অনলাইন থেকে অনেক বেশি আয় করবো।

হ্যা অনেক বেশি আয় হবে তবে সেটা অনেক পরে এবং আপনার দক্ষতার উপর নির্ভর করে। আরকেটা কথা জেনে রাখুন যে অনলাইন ইনকাম করার চিন্তুা করে আপনার মূল পেশা ছেড়ে দিবেন না, কখনোই এই ভুলটা করবেন না। আপনার মূল পেশার পাশিপাশি যে সময় টুকু পাবেন সেই সময় দিয়েই অনলাইনে দক্ষ হওয়ার চেষ্টা করবেন, অনেকেই কম সময় পাবে আবার অনেকেই মুটামুটি সময় পাবে তাই বলে নিজের অন্য কর্ম ছাড়বেন না শুরুতেই। অনলাইনে ইনকাম করার বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। আমি তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পদ্ধতি নিয় নিচে আলোচনা করবো, যা আপনাকে অর্থ উপার্জন করতে সাহায্য করবে।

Freelancing

ফ্রিলান্সিং এ অনলাইনে ইনকাম সবচেয়ে জন্যপ্রিয় মাধ্যম এবং এর বিভিন্ন শ্রেণী রয়েছে। ফ্রিলান্সিং এ দক্ষ মানুষকে সুযোগ দেওয়ার অনেক ওয়েবসাইট রয়েছে। আপনার প্রয়োজন হবে সেইসব Website এ অ্যাকাউন্ট করে নিজের পোর্টফোলিও তৈরি করা এবং আপনার দক্ষতা অনুযায়ী কাজের জন্য অ্যাপ্লিকেশন করা। তবে আপনার আবেদনের সাড়া পাওয়ার জন্য পোর্টফোলিও টি উপযুক্ত মানের তৈরি করতে হবে। যাতে আপনার প্রোফাইল দেখে কাজ দিতে আগ্রহ প্রকাশ করা। ফ্রিলান্সারদের জন্য যেসব মার্কেটপ্লেস রয়েছে সেগুলো হলো: Fiver.com, freelancer.com, upwork.com, worknhire.com সহ আরো অন্যান্য ছোটবড় মার্কেটপ্লেস আছে। এখন ভাবতে পারেন এসব Marketplace এ কি ধরনের কাজ করতে হয়।

যেসব কাজ গুলো করতে হয় তা হলো, Website Design, Graphic Design, Digital Marketing, SEO সহ অনেক ধরনের কাজ রয়েছে। এসব কাজের মধ্যে আপনাকে যেকোন একটাতে দক্ষ হতে হবে। এসব মার্কেটে কাজ করার সময় আপনার ক্লায়েন্ট এবং আপনি দুজন মিলে সব ধরনের চুক্তি সম্পাদন করবেন। আর সেটে উক্ত মার্কেটপ্লেস এর দ্বারা সম্পন্ন হবে। কাজ শেষে আপনার একাউন্টে অর্থ জমা হবে এবং সেটা আপনি যেকোন সময় উঠাতে পারবেন অর্থ উঠানোর জন্য কিছু নির্ধারিত মাধ্যম রয়েছে সেগুলো ব্যবহার করতে হবে, যেমন: Paypal, bank transfer ইত্যাদি।

Blog Website Making

সারা বিশ্বে ব্লগিং করবে মানুষ হাজার ডলার ইনকাম করছে মাসে। Blogging করতে হলে আপনার নিজের একটি ওয়েবসাইট বানাতে হবে। এজন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি টপ লেভেলের ডোমেইন আর প্রয়োজনমত হোস্টিং। এরপর এগুলো রেডি হলো একটি ওয়েবসাইটের জন্য রেসপনসিভ থিম/টেমপ্লেট দরকার হবে। তারপর আপনি এগুলো দিয়ে Google এর ব্লগস্পট বা ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে নিজের জন্য ওয়েবসাইট তৈরি করে নিতে পারবেন। সবকিছু তৈরি হয়ে গেলে আপনার নিজের যে বিষয়ে জ্ঞান আছে সেটি নিয়ে লেখালেখি করে পাবলিশ করা। এরপর ৩০ টার মত পোষ্ট লিখে পাবলিশ করা হয়ে গেলে গুগলের প্রাইভেসি পলিসি অনুযায়ী Google adsense এর জন্য আবেদন করা। এজন্য আপনাকে গুগলের ট্রামস গুলো ভালোভাবে পড়ে ফলো করতে হবে, না হলে অ্যাডসেন্স পাবেন না এবং Online Income হবে না।

Affiliate Marketing

এবার বলবো অ্যাফিলিয়েট মার্কিটিং এর কথা। এটির জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি ওয়েবসাইট, তবে চিন্তার কিছু নাই। আপনি ব্লগিং এবং অ্যাফিলিয়েট করার জন্য একটি ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারবেন। গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার পর এই সাইট দিয়ে অ্যাফিলিয়েট করতে পারবেন। এবার অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন যে অ্যাফিলিয়েট আবার কি? তাহলে জেনে নিন। অ্যাফিলিয়েট হলো কোন প্রতিষ্ঠানের প্রডাক্ট বিক্রি করে কমিশন জেনারেট করা। আপনার হয়তো amazon.com এর কথা শুনেছেন। এটি একটি অনলাইন ই-কর্মাস প্লাটফর্ম। এখানে মানুষের প্রয়োজনী সবকিছু ই পাওয়া যায়। আপনি তাদের ওয়েবসাইটে একাউন্ট করে বিভিন্ন ধরনের প্রডাক্টের অ্যাফিলিয়েট লিংক নিয়ে সেই প্রডাক্টের বিস্তারিৎ বর্ণনা আপনার ওয়েবসাইটে ব্লগ আকারে পাবলিশ করবেন।

এবার আপনার সাইটে আসা ভিজিটরদের যদি উক্ত প্রডাক্টের প্রয়োজন হয় তাহলে লিংকে ক্লিক করে সেটি কিনবে এবং Product এর দাম অনুযায়ী নিদিষ্ট একটি কমিশন আপনি পাবেন। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সার্পোটেড অনেক মার্কেছে এটা আপনার গুগল থেকে খুজে নিবেন।

Survey, search and review

ইনটারনেটে রির্সাস, এনালাইসিস, রিভিউ এর মাধ্যমে ইনকাম করা যায়। সার্ভের কাজ করার জন্য কিছু সরকারি বেসকারি সংস্থা তথ্য জানার জন্য সাধারণ জনগণের কাছ থেকে তথ্য নিতে চায়। এটা বর্তমানে বিভিন্ন সাইটের মাধ্যমে করা হচ্ছে। যেমন কোন দেশের রাজনৈতিক অবস্থা, খাবার, শিক্ষা, বাসস্থান সব মৌলিকা চাহিদা পূরণের জন্য যা কিছু প্রয়োজন সেই সম্পর্কে তথ্য প্রয়োজন হয় বিভিন্ন প্রতিষ্টানের। এসব কাজগুলো করেও আপনি অনলাইনে ইনকাম করা যায়। তবে জেনে রাখা দরকার বাংলাদেশ আপাতত সার্ভে কাজ করা হয় না। বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে সার্ভে করেছে অনেকেই। এবার বলি রিভিউ এর কথা। আপনার যদি একটি জনপ্রিয় ব্লগ সাইট বা ইউটিউব চ্যানেল থাকে তাহলে আপনি বিভিন্ন প্রডাক্টের প্রমোশন করার জন্য অফার পাবেন বা আবেদন করতে পারবেন। প্রডাক্টের রিভিউ করে আপনি প্রচুর পরিমানে ইনকাম জেনারেট করতে পারবেন।

Virtual Assistant

আপনি যদি কোন কাজে Expert হন তাহলে আপনি অনলাইনের মাধমে সেবা বিক্রি করে আয় করতে পারেন। যেমন ধরুন আপনি ওয়েবসাইট ডিজাইনার বা এসিও এক্সপার্ট। ওয়েব ডিজাইন করে এমন কোন কোম্পানি আপনাকে স্থায়ী ভাবে হায়ার করতে পারে। এক্ষেত্রে আপনাকে নিদিষ্ট কোন জায়গায় প্রতিদিন যেয়ে অফিস করতে হবে না। বাড়িতে বসে চাকরি করতে পারবেন। এটাকেই মূলত ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট বলা হয়। তবে সুধু ওয়েব ডিজাইন নয় আপনি। যেকোন কাজে দক্ষ হলে ভার্চুয়ালি সেটা করতে পারেন।

Language Translating

ইন্টারনেটে ভাষা অনুবাদ করে ইনকাম করা যায়। কি? শুনে অবাক হোচ্ছেন? হ্যা এটাও সত্য যে আপনি এক দেশের ভাষাকে অন্য দেশের বা নিজের দেশের ভাষায় রুপান্তর করে আয় করতে পারবেন। এসব কাজ গুলা Fiverr freelancer upwork মার্কেটপ্লেস এ পাওয়া যায়। তবে এগুলা তুলনা মূলক অনেক কম। যারা এই লাইনে এক্সপার্ট তারা হিউজ পরিমান ইনকাম করছে, নতনদের জন্য কষ্টসাধ্য হতে পারে। অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যাদের ফাইল ডকুমেন্ট গুলো বাইরের দেশের ক্লায়েন্টের কাছে দিতে হয় কিন্তু সেই ক্লায়েন্ট তার নিজের ভাষা ছাড়া বোঝোনা। এক্ষেত্রে ভাষা পরিবর্তন করার জন্য কাউকে প্রয়োজন হয়।

Online Tutoring

আপনি কি সঠিক ও শুদ্ধ ভাবে উপস্থাপন করতে জানেন বা কোন কিছু শেখাতে পছন্দ করেন তাহলে এই বিষয়টা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে ইনকাম করতে পারেন। ধরেন আপনি ভালো রান্না করতে পারেন এবং সেটি অন্যকে শেখাতে চান বা আপনি একজন শিক্ষক, গণিত, ইরেজি, বিজ্ঞান বিষয়, মেডিকেল বিষয়ে এক্সপার্ট। আপনি এটা ভিডিও টিউটোরিয়ালের মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন। আপনার ইউটিউবের নাম শুনেননি এমন মানুষকে খুজে পাওয়া মুসকিল। ভিডিও টিউটোরিয়াল খুব কম সময়ে সবার কাছে দ্রুত পৌছানোর সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো Youtube. সুধু সবার কাছে পৌছাবেনই না, আপনার চ্যানেল কে মনিটাইজ করে এটির মাধ্যমে ইনকাম করতে পারবেন। বর্তমানে ইউটিউবিং করা অনেকের একটি বড় ধরণের শখ। বাংলাদেশে অনেক বড় বড় ইউটিউব চ্যানেল আছে যারা প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করছে।

Social Media Management

আপনার হয়তো জানেন বর্তমানে প্রায় ৮০% এরও বেশি মানুষ সোস্যাল মিডিয়াতে সময় পার করছে। আর কি সেই Social media তা হয়তো আপনাদের জানাে বাইরে নয়। জনপ্রিয় দুটি সোস্যাল মিডিয়া রয়েছে, একটি Twittet ও আরেকটি Facebook. তবে ফেসবুক হলো অত্যাধিক জনপ্রিয় মাধ্যম। ফেসবুকে বুন্ধদের সাথে কথা বলে চ্যাট করে, ভিডিও দেখে গেম গেলে সময় পার করে দেশের বেশিরভাগ যুবক যুবতিরা। কিন্তু অনেকেরই হয়তো জানা নেই এই বিনোদনের মাধ্যম ফেসবুক কে ব্যবহার করে অনেকেই অর্থ উপার্জন করছে। যদি বলেন কিভাবে? তাহলে শুনুন। আপনি হয়তো ফেসবুক গ্রুপ এবং পেজের নাম শুনেছেন। হ্যা এই দুটি জিনিস দিয়েই তারা ইনকাম করছে। ফেসবুক পেজকে একটি ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর করছেন, কারণ কোন কিছু ফেসবুকে থাকা মানেই নামমাত্র খরচে সবার সামনে উপস্থাপন করা যায়। তাই অনেকেই তাদের নিজেদের বা অন্যের পণ্য কে ফেসবুকে প্রমোশন করে আয় করে। আবার আপনার যে ভিডিও গুলা দেখেন সেগুলো কোন না কোন পেজের মধ্যে থাকে। ওই সব পেজের মালিক যারা তারা আপনাদের কে ব্যবহার করে মাসে অর্ধলাখ বা লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করছে। আপনি যত বেশি ভিডিও দেখে সময় নষ্ট করবেন ওই ভিডিওর মালিকের তত বেশি ইনকাম হবে।

Content Writing & Blogging

উপরে আমি উল্লেখ করেছি ওয়েবসাইট ব্লগিং এর কথা। এখানো আরো ভালোভাবে ক্লিয়ার করে বলি। আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী সেই বিষয়টা নিয়ে লেখালেখি করা আয় করতে পারেন। যেমন ধরুন আমি আপনাদের জন্য হাত ব্যাথা করে এত কিছু লিখছু সেটা এমনিতেই না। আমারও কিছু ইনকামের আশা রয়েছে এজন্য কষ্ট করে লিখছি এবং শখ মেটাচ্ছি। আপনি ছাত্র, শিক্ষক, রাধুনি, সাংবাদিক, আইনরক্ষক, ডাক্টর, উন্জিনিয়ার বা যে কোন পেশার হোন না কেনো আপনি নিশ্চয় উক্ত পেশার যেকোন একটিতে এক্সপার্ট। তো আপনি সেই বিষয় টা সম্পর্কে যতটুকু জানেন সেটা অনলাইনে পাবলিশ করে ইনকাম করতে পারেন। এটাকে মূলত ব্লগিং বলে।

YouTube

এটার কথা বলতে গেলে আগেই মনে হয় যে নতুন করে আর কি বলবো, আপনারা তো সব জানেন। কন্টেন্ট রাইটিং বা ব্লগিং বিষয়ে যা কিছু করা হয় সেগুলা ভিডিও আকারে উপাস্থাপন করেই ইউটিউবিং করা হয়। ব্লগের তুলনায় ইউটিউব অনেক বেশি জনপ্রিয়। কারণ এখন আর কেউ গুগলে সার্চ করে করতে চায়না। সবাই ইউটিউবে ভিডিও দেখতে পছন্দ করে। তাছাড়া অনেকেই শখ মেটানোর জন্য বা ফেমাস হওয়ার জন্য ভিডিও তৈরি করে ইউটিউবে Publish করে। Youtube এ ইনকাম করার জন্য যে নিয়ম গুলো রয়েছে সেগুলো হলো আপনার চ্যানেলকে মনিটাইজ হতে হবে অন্যথায় ইনকাম হবে না। আর এজন্য ইউটিউবের ট্রামস অনুযায়ী ১০০০ সাবসক্রাইব ও ৪০০ মিনিট ওয়াচ টাইম লাগবে। তবেই আপনি মনিটাইজের যোগ্য হবেন। এখানে আপনি বিভিন্ন ধরনের কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন যেমন: Educational, entertainment, short film, Video song ইত্যাদি।

ইউটিউবের সবচেয়ে ভালোদিক হলো আপনি প্রফেসনাল ইউটিউবার হতে পারলে আপনার সারা দেশের মানুষ চিনবে ঠিক যেমন সেলিব্রেটিদের কে সবাই চিনে। তাই সেলিব্রেটি হওয়ার একমাত্র বিকল্প মাধ্যম হলো ইউটিউব। এবার বলি এটা করতে হলে কি কি প্রয়োজন হতে পারে। ইউটিউবের জন্য যেহেতু ভিডিও তৈরি করতে হয় তাই ক্যামেরা প্রয়োজন। যত বেশি ভালো ক্যামেরা হবে তত বেশি কোয়ালিটিফুল ভিডিও তৈরি হবে, তবে কন্টেন্টের উপরও ভিডিওর গুনগত মান নির্ভর করে। আবার অনেকে ভালোমানের স্মার্ট ফোন দিয়ে ভিডিও ধারণ করে। তবে এক্ষেত্রে ক্যামেরার মত ওত ভালো আশা করা যাবে না। এবার প্রয়োজন হবে কন্টেন্ট তৈরি করার গল্প বা স্ক্রিপ্ট। এই Script অনুযায়ী ভিডিও তৈরি হবে এর এই ভিডিও তৈরি করার জন্য আপনি নিজে বা অন্য কাউকে হায়ার করতে পারেন। তারপর দরকার হবে ভিডিও ইডিটিং করার। এটা আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যত ভালো ইডিটিং করতে পারবেন তত বেশি সুন্দর হবে ভিডিও। যা আপনার ভিউ এবং সাবসক্রাইবার বাড়াতে সাহায্য করবে। আর ইউটিউবার হতে হলে অনেক ধৈর্য প্রয়োজন। অল্পতে হাল ছেড়ে দিলে হবে না। কারণ সেলিব্রেটি হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করা এত সহজ না তাছাড়া আপনার অনলাইনে ইনকাম করতে হলে অবশ্যই হাল ছাড়া চলবে না।

বিটকয়েন কি What is bitcoin | Bitcoin Price

Photo & Video Editing

এই প্রফেশন টা অনেক বেশি ডিমান্ডফুল কারণ ফটোগ্রাফার এর জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি ভার্সিটিতে ৪ বছর মেয়াদি কোর্স ওপেন করা হচ্ছে। একজন প্রফেসনাল ফটো ও ভিডিও ইডিটরের অনলাইন ইনকাম অনেক বেশি হয়ে থাকে কারণ এটির চাহিদা অনেক বেশি। ফটো গ্রাফারের ভিভিন্ন প্রতিষ্টানের হয়ে কাজ করে এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেসেও কাজ করে আর ভিডিও এডিটরের অনে শ্রেণি বিভাগ রয়েছে। যেমন: 3D Video, Animation video, GIF Photo and video ইত্যাদি।

বর্তমানে থ্রিডি ও এনিমেশন ডিজাইনের চাহিদার পরিমাণ বলে বোঝানো যাবেনা। আপনি যদি এই বিষয়টি নিয়ে কাজ শেষ করে মার্কেটপ্লেস এ কয়েকটা কাজ পেয়ে যান এবং সেগুলো বায়ারের মনের মত করে দিতে পারেন তাহলে আপনাকে আর পিছনে ফিরে থাকাতে হবে না। তাছাড়া বাংলাদেশে এ ধরনের ডিজাইনার এখন পর্যন্ত খুবই কম। প্রতেকটা কোম্পানির বিজ্ঞাপনের জন্য থ্রিডি ভিডিও এনিমেশন প্রয়োজন আর সারা পৃথিবীতে প্রতিদিন লাখ লাখ বিজ্ঞাপন তৈরি হয়। তাহলে এই সেক্টরে চাহিদা কেমন হতে পারে আপনি নিজেই চিন্তা করুন। একবার আপনি ইউটিউবে 3D Video Animation লিখে সার্চ করুন দেখবেন প্রত্যেকটা ভিডিও আপনার মনে প্রশান্তি বয়ে আনবে তাই এটা সবাই পছন্দ করে। এই ছিলো Online income এর উল্লেখ যোগ্য কিছু কাজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button