Bitcoin News
Trending

বিটকয়েন কি What is bitcoin | Bitcoin Price

বেশ কয়েকদিন ধরে বিটকয়েন নিয়ে সারা বিশ্বের মানুষ অনেক মাতামাতি করছে এর আগে 2018 সাল এ Bitcoin নিয়ে অনেক মাতামাতি হয়েছিল কিন্তু টাইম টু টাইম এই জিনিসটা কমে যায় বাট এখন 2020 সালের শুরু থেকে 21 সাল আজ পর্যন্ত বিটকয়েন আরো অনেক বেশী জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারনটা খুব সহজ সেটা হল টাকা 2021 সালে এসে অর্থনৈতিক মার্কেটে দেখা যায় জিপিইউ এর খুব অভাব পড়েছে এবং এটার জন্য প্রত্যক্ষভাবে রোল প্লে করছে মাইনররা এখন এই অবস্থার মাঝে অল্প সময়ের  মাঝে মানুষজন বড়লোক হওয়ার জন্য বা ঘর-বাড়ি গরম রাখার জন্য বা যে কারণেই হোক অনেকেই bitcoin সম্পর্কে আইডিয়া জেনারেট করছে এবং বিটকয়েন কিভাবে ইনকাম করা যায় বা মাইনিং করা যায় সেই বিষয়টা নিয়ে অনেক রিসার্চ করছে এক্ষেত্রে এখানে অনেকের শূন্য আইডিয়া রয়েছে অথবা কারো মোটামুটি আইডিয়া রয়েছে বা আবার অনেকেই ভুলভাল তথ্য সম্পর্কে আইডিয়া নিয়ে   ধরা খাচ্ছে ।

তো আজকে আলোচনা করব bitcoin সম্পর্কে এই আর্টিকেলটি অনেক বড় হতে পারে এ জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে কনটেন্ট ধৈর্য সহকারে শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য অনুরোধ করা হলো | এই বিটকয়েন সিস্টেমকে পুরোপুরি বোঝানোর জন্য আমি একটি উদাহরণ এক্সপ্লেইন করব কিভাবে একটি দেশের ব্যাংকিং সিস্টেম কাজ করে। তো প্রথমেই জানা লাগবে বিটকয়েনের   ব্যাকস্টরি, আসলে বিটকয়েন জিনিসটা কি ? যদি সহজ ভাষায় বলতে যাই তাহলে bitcoin একটি ডিজিটাল  মুদ্রা যেটি খুব সহজে লেনদেন করা যায় পারসন  টু পারসনl আপনি শুধু মাথায় রাখেন ডিজিটাল মানে ক্রিপ্টোকারেন্সি এই ট্রাম  গুলা আর আমি আস্তে আস্তে এগুলা এক্সপ্লেইন করতে থাকবো | তো ব্যাগ স্টোরির কথা বলতে গেলে একটা সময় ছিল যে সময় আমরা টাকা মানে বুঝতাম না l  আমরা আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী অবজেক্ট এক্সচেঞ্জ করতাম এর আরো অনেক পরে টাকা এক্সচেঞ্জ শুরু হলো যখন টাকার একটি value  আসেl এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই ভ্যালুটা কি এবং এটা কারা নির্ধারণ করে দিল?

এটার উত্তর হচ্ছে ব্যাংক অথবা গভারমেন্ট l এবং এটার ভ্যালু ও নির্ধারণ করে দেয় সরকার কর্তৃক ব্যাংক অর্থাৎ এই কাগজের ভ্যালু এত টাকা এবং ওই কাগজের ভালো এত টাকা , অর্থাৎ আমরা যেটা বুঝি 100 টাকা দুইশত টাকা 1000 টাকা এবং এই কাগজের ভ্যালু নির্ধারণ করার ফলেই একটি অবজেক্ট এর ভ্যালু আমরা এক্সচেঞ্জ করি টাকার মাধ্যমে ।  এতে করে আমাদের আর কোন অবজেক্ট এক্সচেঞ্জ করা লাগেনা আমরা সরাসরি টাকা টু অবজেক্ট এক্সচেঞ্জ করি কারণ আমরা কাগজের টাকার একটি ভ্যালু প্রথমেই নির্ধারণ করে  রেখেছি l এখন একটি উদাহরণ দিতে গেলে বলা যায় যে একটি ভ্যালুয়েবল আইটেম  লাইক গোল্ড আমরা ব্যাংকে জমা রাখতাম সেটাকে  সেভ রাখার জন্য এবং তার বদলে ব্যাংক আমাদেরকে একটা আস্বাস দিত এবং তার বদলে একটা রিসিপ্ট তাদের ইউজারকে l

Today Bitcoin Price

এখন যদি আমাদের কখনো ব্যাংকে জমাকৃত গোল্ড আইটেমটি বিক্রি করার প্রয়োজন হয় তাহলে আমরা শুধুমাত্র ওই রিসিপ্ট বিক্রি করলে হয় কারণ আমি যার কাছে এই  রিসিপ্ট বিক্রয় করছি সে জানে যে এই রিসিপ্ট এর আন্ডারে ব্যাংকে গোল্ড জমা আছে l  এক্ষেত্রে শুধুমাত্র রিসিভ টা বিক্রি করলেই হতো পরে যখন ব্যাংকিং প্রসেস এর পরিধি ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে তখন রিসিপ্ট টা কে লেনদেনের ইউনিট হিসেবে ব্যবহার করা যায় তারপর থেকে ব্যাংক এই কাগজে নোটের ব্যবহার শুরু করল গুগোল আর একটা ভালো ব্যাংক ঠিক করে দেয় l

সো এভাবে কাগজী মুদ্রা ব্যবহার ধীরে ধীরে প্রচলিত l তো এভাবে আমরা যেমন গোল্ড আইটেম কে ব্যাংকে জমা রাখলাম ঠিক অনুরূপভাবে আমাদের কাগজী মুদ্রা কেউ সেভ রাখার জন্য ব্যাংকে জমা রাখার প্রচলন শুরু, হলো কারণ গোল্ডের যেমন একটি ভালো আছে কাগজের মুদ্রা অথবা যেটাকে আমরা টাকা বলি সেটা আরও একটি ভালো আছে l অপরদিকে ব্যাংকে যে জমাকৃত কাগজের মুদ্রা জমা রাখা হলো সেটার ভ্যালু ব্যাংক বা গভারমেন্ট আগে থেকেই জানে l

এখন না প্রত্যেকটা দেশের গভারমেন্ট করে কি যে তাদের দেশের জনগণের কাছে থাকা কাগজী মুদ্রা গুলা কে তাদের কাছেই রাখেন এবং তার বদলে একটা রিসিপ্ট তাদের হাতে ধরিয়ে দেয় এবং এটার মধ্যে মেনশন করা থাকে যে তোমার এত পরিমান টাকা আমাদের কাছে জমা আছে । এবং আমরা জনগন হিসেবে আমাদের প্রয়োজনের বাইরে যে কাগজী মুদ্রা বা টাকা থাকে সেটা আমরা নিজের ইচ্ছাই গভারমেন্ট এর কাছে জমা  রাখি সিকিউর হিসাবে । তো খেয়াল করেন পুরা জিনিসটা কিন্তু খুবই টেকনিক্যাল এখানে সমস্ত টাকা পয়সা বা কাগজি মুদ্রা গুলার ভালো ঠিক করে দিচ্ছে ব্যাংক আবার সেই মুদ্রাগুলি আমরা ব্যাংকের কাছে জমা রাখছি l  অর্থাৎ আমরা আমাদের মুদ্রার অথরিটি গভারমেন্ট বা ব্যাংকেই বানিয়ে রাখছি ।

অর্থাৎ ব্যাংকের কাছে আমরা যে টাকা বা মুদ্রা জমা রাখছি সেটার প্রমানপত্র হিসেবে একটি রিসিপ্ট তারা আমাদেরকে প্রোভাইড করছে অর্থাৎ এটাকে আমরা বলতে পারি একটা প্রমিস l অর্থাৎ ব্যাংকে টাকা জমা রাখার পরে তারা যে আমাকে রিসিপ্ট নামক একটি প্রমিস পত্র আমাদেরকে দিচ্ছে আসলে ওই প্রমিস পত্র তাছাড়া আমাদের কাছে আর কোন ব্যাকআপ নাই l পমিস পত্রে উল্লেখ করা আছে যে আপনার এই পরিমাণ টাকা বাবেল ওটা আমাদের কাছে জমা আছে এবং এটা ভবিষ্যতে একই পরিমাণ থাকবে আর নিরাপদ থাকবে l অর্থাৎ আপনার মুদ্রার বা টাকার অথরিটি ব্যাংকের কাছে থাকা মানে আপনার মত দেশের জনগণের টাকা ব্যাংকের কাছে জমা থাকা মানে সমস্ত অর্থনৈতিক লেনদেন এর অথরিটি বা নিয়ন্ত্রক  উক্ত দেশের গভারমেন্ট ব্যাংক l

এখন বর্তমানে ব্যাংক এবং জনগণের মাঝে যে লেনদেনটি সম্পন্ন হয়ে থাকে সেই সেই লেনদেনটি বা মুদ্রাটির ফিজিক্যাল অস্তিত্বকে বলা হয় ফিয়াট  মানি l এখন এই ফিয়াট  মানি অনেকগুলা বৈশিষ্ট্য আছে যেটা এখন আমি বলবো এবং এই ফ্ল্যাট মানের সাথে বিটকয়েনের যে তুলনা বা কম্পেয়ার সেটা উল্লেখ করব l প্রথমটা হচ্ছে একটি নন ট্রান্সপারেন্ট লেজার প্রসেস জাস্ট trams মনে রাখেন আমি এটা পরে আলোচনা করবএটা হচ্ছে সেন্ট্রালাইজড এবং এটার একটা মিডিয়াম দরকার হয় সেটা হল ব্যাংক l তো এতক্ষণ আলোচনা করলাম কাগজী মুদ্রা অথবা বর্তমানে যেটা কে fiat money বলি l আরেকটা বিষয় বলবো সেটা হল টাকার আনলিমিটেড এর বিষয় , যেহেতু টাকার  বা মুদ্রার নিয়ন্ত্রক এবং উৎপাদক গভারমেন্ট সেওতো গভারমেন্ট চাইলেই তাদের ইচ্ছামত কাগজি নোট এর পরিমাণ উৎপাদন করতে পারে l

সে ক্ষেত্রে একটু সমস্যা দেখা যায় যে বেশি পরিমাণ অর্থ চাহিদার তুলনায় যদি বেশি পরিমাণ উৎপাদন করা হয় তাহলে দেশের মধ্যে একটা মুদ্রাস্ফীতি ঘটনা ঘটে কমে যায় উদাহরণস্বরূপ বলতে গেলে আমেরিকার এক ডলার বাংলাদেশের 85 টাকা এখানে উল্লেখ করি যে ওদের মুদ্রার যে এক্সটেনশন সেটা হলো ডলার আর আমাদের মুদ্রার এক্সটেনশন হল টাকা কিন্তু মুদ্রার ভ্যালুটা কম-বেশি l এই কম-বেশি হওয়ার কারণ হচ্ছে তাদের দেশের তুলনায় আমাদের দেশের মানি ইনফ্লেশন বেশি,  তুমি যদি বাজারে আলু পটল কিনতে  যাও  এবং যদি আলু পটলের দাম বেড়ে গেছে আসলে এমন না জিনিসটা হচ্ছে আমাদের টাকার ভ্যালু কমে গেছে আমাদের এই এক কেজি আলু আর পটল কেনার জন্য আরও বেশি টাকার প্রয়োজন হচ্ছে l এখন এই মানে ইনফ্লেশনের ব্যাপারটা প্রতিবছর বাড়তেই থাকে এবং সামনেও বাড়বে এই বিষয়টা টেকনিক্যালি গভারমেন্ট হ্যান্ডেল করতে পারে লাইক আমেরিকার মত তাহলে আমাদের দেশের টাকার মান তাদের দেশের মতোই হতে পারে l

এখন আলোচনা করব ডিজিটাল টাকার কথা এই যে লাখ লাখ কোটি কোটি টাকা বাক্স ভরে আর বয়ে বেড়াতে হয় না এখন আধুনিক যুগে এই টাকাকে ডিজিটাল মানিতে রূপান্তরিত করা হয়েছে বা সামনে আরও বেশি ডিজিটাল হতে যাচ্ছে l বর্তমানে লেনদেনের যে হিসাবটা সেটা প্রত্যেকটা ব্যাংক বা গভারমেন্ট কম্পিউটারে সংরক্ষণ করছে এবং সেটা ডিজিটাল উপায় আমরা জনগন হিসেবে ব্যাংকে ট্রাস্ট করছি এবং ব্যাংক ট্রাস্ট করছে কম্পিউটারকে l এবং এই পদ্ধতিকে বলা হয় ডিজিটাল লেজার পদ্ধতি বা ট্রান্সপারেন্ট লেজার পদ্ধতি , ট্রানজেকশন লেজার পদ্ধতি শুধুমাত্র ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করে থাকে এটা আমরা চাইলেই সাধারন জনগন হিসেবে দেখতে পারবো না বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবোনা l

এই লেজার সিস্টেমকে আমরা দেখতে পারি না শুধুমাত্র ব্যাংক কর্তৃপক্ষ দেখতে পারে তো এই দেখতে পারা বা না পারার বিষয়টি বলা হয় লেজার ট্রান্সপারেন্ট এবং নন ট্রান্সপারেন্ট l এখন আমরা যেহেতু এই ট্রানজেকশন গুলা কম্পিউটারে দেখতে পারি না এক্ষেত্রে আমাদের ক্ষেত্রে এটাকে নন ট্রানস্পরেন্ট বলা হয়ে থাকে l কিন্তু এই হিসাব গুলাবা ট্রানজেকশন গুলা ব্যাংকে যে কর্তৃপক্ষ নিয়ন্ত্রণ করে তিনি এগুলো দেখতে পারে এবং তিনি জানতে পারে যে কি পরিমান অর্থ বা টাকা লেনদেন হচ্ছে বা কি পরিমাণ মানুষ এই লেনদেনের সাথে জড়িত আছে এবং কোন প্রতিষ্ঠান, কোন কোম্পানির কি পরিমান লেনদেন ব্যাংকের সাথে করছে বার ব্যাংক ঋণ নিচ্ছে সেটা উক্ত ব্যাংক কর্মকর্তারা দেখতে পারছে এবং নিয়ন্ত্রন করতে পারছে এটা কিন্তু একটা বিশাল আকারের হিডেন পাওয়ার l 

তো এখানে আমি বলতে চাচ্ছি যে যদি কোন কারনে ব্যাংকের উক্ত কর্মকর্তাগণ এই বিশাল বড় লেনদেন সমূহ কে একটু জালিয়াতি বা এদিক-ওদিক করতে পারে বা করে ফেলে তাহলে কিন্তু সারা দেশের মধ্যে একটা গোলযোগ সৃষ্টি হবে বা  টাকা সীমিতকরণ দেখা দিবে l তো একটা দেশের পুরা অর্থনৈতিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যদি কয়েকজন মানুষের উপর নির্ভর করে তাহলে বিষয়টা কিন্তু খুবই অসুবিধার সৃষ্টি হয় কারণ ওই নির্দিষ্ট কয়েকজন মানুষ এর উপরে পুরা দেশের মানুষের অর্থনৈতিক হ্যান্ডেল ট্রাস্টেড যে বিষয়টা তারা অথেন্টিকেশন করে এটা হল fiat money এর একটা বিরাট বড় সমস্যা l

কাগজে নোট বা কাগজি মুদ্রার অথরিটি আপনি যদি ব্যাংকের কাছে দিয়ে রাখেন এবং ব্যাংক যদি আর তার অ্যাকাউন্টে কোনো কারণে ক্লোজ করে দেয় বা দুর্নীতি করে তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনি কাগজি মুদ্রার সিস্টেমে 0 পর্যায়ে চলে গেলেন যদিও এরকম করেনা তারপরও যদি কোনো দুর্নীতির কারণে করে থাকে তাহলে এই সমস্যাগুলো সৃষ্টি হবে এবং এটা হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিছুটা হলেও lতো এখন আসি এই বিটকয়েন মানেটা কি আসলে বিটকয়েন হলো কিছুটা ডিজিটাল মানির মতই | আমরা  যেমন কাগজি মুদ্রার পরিবর্তে ডিজিটাল মানেই ব্যবহার করছে প্রভাবে ডিজিটাল মানের মতই অন্য আরেকটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে বা হাই-সিকিউরিটি পদ্ধতিতে বিটকয়েন ব্যবহার করা হচ্ছে  অথবা ট্রানজেকশন বা লেনদেন করা হচ্ছে ।

কিন্তু ডিজিটাল  ট্রানজেকশনের তুলনায় এটির যে পার্থক্য সেটা হল বিটকয়েন একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি এটি ট্রান্সপারেন্ট  অর্থাৎএই লেনদেনটি সবাই দেখতে পারে,  এটি  ডি-সেন্ট্রালাইজড, এবং এটির কোন মিডিয়ামের দরকার হয় না এই যে এই তিন চারটা বিষয়ে ব্যাংকের সাথে ভিন্ন পর্যায়ে আছে |তো প্রথমেই আলোচনা করে ট্রান্সপারেন্ট এর বিষয়,  ব্যাংকের প্রত্যেকটা প্রতিটা লেনদেন যেমন নন ট্রান্সপারেন্ট তেমনি বিটকয়েনের প্রত্যেকটা ট্রানজেকশন ট্রান্সপারেন্ট যেই লেজার ট্রানস্পরেন্ট সিস্টেমটি সবার জন্য উন্মুক্ত এবং সবাই সেটা দেখতে পারে | এটি একটি মজার বিষয় যে কে কত পরিমান বিটকয়েন লেনদেন করছে সেটা আমি আপনি সবাই দেখতে পারবেন | আরেকটি বিষয় বলেন এই যে এই বিটকয়েনের প্রতিষ্ঠাতা বা আবিষ্কারক হলেন বা তার নাম হলো সাতোশি নাকামতো । তিনি 2008 সালের অক্টোবর মাসে বিটকয়েন আবিষ্কার করেন।

এবার বলব বিটকয়েনের ডিসেন্ত্রালাইজড সিস্টেম , করেছি ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায় ফিজিক্যাল ফিজিক্যাল অর্থ সেন্ট্রালাইজড হিসেবে ধরা হয় এবং এটা চাইলেই ব্যাংকের কর্মকর্তাগণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এডিট করতে পারে এবং এটার পরিমাণ হ্রাস অথবা বৃদ্ধি করতে পারে, অপরদিকে বিটকয়েন যেহেতু একটি ডিসেন্ত্রালাইজড অর্থাৎ এই বিটকয়েনের কোন নিয়ন্ত্রক নাই এটা চাইলেই কেউ কমাতে বা বাড়াতে পারবে না বা দুর্নীতি করতে পারবে না  | বিটকয়েনের প্রতিটি লেনদেন লেজার ট্রান্সপারেন্ট সবাই দেখতে পারবে কিন্তু ধরতে পারবেনা বাই স্পর্শ করতে পারবে না যে জন্য আমরা এটাকে বলতে পারি ডি-সেন্ত্রালাইজড l বিটকয়েন ডিসেন্ত্রালাইজড হওয়ার জন্য এটা অনেক বড় একটি সুবিধা l আরেকটি  মজার বিষয় হলো যে শুধুমাত্র বিটকয়েনের ট্রানজেকশন টি সবাই দেখতে পারবে কিন্তু উক্ত ট্রানজেকশনের যে দুজন মালিক থাকে সেই দুজন মালিক কে কেউ জানতে পারবে না।

বিটকয়েনের লেনদেনটি দেখতে পারলেও এর মালিক কে আমরা দেখতে পারি না বা জানতেও পারিনা যে এদের মালিককে এবং এদের কোন দেশে কোথায় বাসা এবং বা কোন প্রতিষ্ঠান মালিক এই বিষয়টা আমরা কেউই জানতে পারি না |  So, দুজন ব্যক্তির মধ্যে যখন বিটকয়েন লেনদেন হয় তখন দুই জনের কাছে একটি ইউনিকোড থাকে এবং দুইজনার ওয়ালেটে দুইটা এড্রেস জেনারেট হয় যে বিটকয়েন সেন্ড করবে তার ইউনিকোড এবং যার কাছে বিটকয়েন রিসিভ হবে তার অ্যাড্রেস এর আন্ডারে থাকা ইউনিকোড যদি মিলে যায় সে ক্ষেত্রে শুধুমাত্র বিটকয়েন লেনদেনটি প্রসেস হবে বা সম্পন্ন হবে অন্যথায় কোন লেনদেন সম্পন্ন হবে না আর এই লেনদেনটি কে কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না অর্থাৎ চুরি করতে পারবে না এটা সম্পূর্ণ আনহাকেবল অর্থাৎ আপনি দেখতে পারবেন কিন্তু লেনদেনের মালিকানা দেখতে পারবেন না এবং এটা চুরি করতে পারবেন না অর্থাৎ আপনার সামনে দিয়ে টাকা উড়ে গেলে সেটি আপনি ধরতে পারবেন না এরকম একটি বিষয় ।

বিটকয়েন লেনদেনের ক্ষেত্রে যে ইউনিকোড থাকে সেটি অনেক বড় এবং এই কোডটি দুইজন লেনদেন গাড়ির মধ্যে সীমাবদ্ধ এটা কেউ অ্যাক্সেস করতে পারবে না কিন্তু এই লেনদেনটি সম্পন্ন করার জন্য মাঝখানে একজন বিটকয়েন মাইনর এর প্রয়োজন হয় এবং এই বিটকয়েন মাইনরের মাধ্যমে প্রতিটি bitcoin লেনদেন সম্পন্ন হয় l কিন্তু এটা ব্যাংকের মতো থার্ড পার্টি কোন ব্যক্তি নয় যে তারা এই লেনদেন টিকে উল্টাপাল্টা করতে পারে মাইনর শুধুমাত্র লেনদেনকে সঠিকভাবে সম্পাদন করতে পারে বাট এটা কোনোভাবেই উল্টাপাল্টা করতে পারেনা এটাই হলো বিটকয়েন এর সবচেয়ে বড় সুবিধা এজন্যই বিটকয়েন কে ক্রিপ্টোকারেন্সি বলা হয় অর্থাৎ বিটকয়েনের প্রত্যেকটি লেনদেন এনক্রিপটেড অবস্থায় থাকে | ক্রিপ্টোকারেন্সি জগতে সর্বপ্রথম বিটকয়েনের আবির্ভাব হয় এবং পরবর্তীতে বিট কয়েনের মতো আরো অনেক ক্রিপ্টোকারেন্সি আসতে থাকে যেগুলা হল ইথেরিয়াম, লাইট কয়েন, ডগি কয়েন শিবা কয়েন, ইত্যাদি ।

আপনারা যদি বিট কয়েনের মতো অন্যান্য সবকিছু কারেন্সি সম্পর্কে জানতে চান তাহলে অন্য আরেকটি আর্টিকেল এর মাধ্যমে আলোচনা করব | আরেকটি বিষয় হচ্ছে যে ব্যাংকের লেনদেনের যেমন প্রত্যেকটি ট্রানজেকশনের হিসাব শুধুমাত্র ব্যাংকের জমা থাকে কিন্তু বিটকয়েনের যে লেনদেনটি সম্পন্ন হয় সেই লেনদেনের লেজার copy সবার কাছেই থাকে মানে বিটকয়েন জগতে যারা অংশগ্রহণ করে মানে বিটকয়েন জগত থেকে যারা বিটকয়েন লেনদেন করে তাদের প্রত্যেকটি লেনদেনের ট্রানজেকশন লেজার কপি একটি আলাদা আলাদা ব্লক অবস্থায় থাকে l যেটাকে ব্লকচেইন বলা হয় অর্থাৎ একজন আরেকজনের সাথে ব্লক চেইন এর মাধ্যমে কানেক্টেড থাকে একজন আরেকজনের সাথে কোন bitcoin লেনদেন করলে একটি চেইন তৈরি হয় এবং সেই চেইনটি এনক্রিপটেড ব্লক অবস্থায় থাকবে l

আর ব্যাংকের লেনদেন অর্থাৎ ব্যাংক থেকে টাকা চুরি করতে হলে যেমন যেকোনো একটি ব্যাংকে টার্গেট করলে সেই ব্যাংকের যত ইউজার আছে সমস্তই ইউজারের টাকা  একবারে নেওয়া যায় কিন্তু বিটকয়েন এর ক্ষেত্রে যেহেতু আলাদা আলাদা ট্রানজেকশন হয় প্রতিটি ট্রানজেকশনের লেজার কপি ব্লকচেইন অবস্থায় আলাদা আলাদা ব্লক তৈরি করে অর্থাৎ  আপনি চাইলেই সমস্ত বিটকয়েন একসাথে চুরি করতে পারবেন না ।

আরেকটি তথ্য আপনাদেরকে বলে রাখি যে বিটকয়েনের একটি নির্দিষ্ট সীমা আছে উৎপাদন করার জন্য ফিজিকাল অর্থ যেমন গভারমেন্ট চাইলেই তাদের ইচ্ছামত আনলিমিটেড উৎপাদন বা তৈরি করতে পারে কিন্তু বিটকয়েন এর যে প্রতিষ্ঠাতা সে নির্ধারণ করে দিয়েছে যে সর্বোচ্চ bitcoin উৎপাদন করতে পারবে 21 মিলিয়ন পর্যন্ত সারা পৃথিবীতে যত বিটকয়েন – সবাই মিলে সর্বোচ্চ 21 মিলিয়ন পর্যন্ত বিটকয়েন তৈরি করতে পারবে এবং 21 মিলিয়ন বিটকয়েন তৈরি করা হয়ে গেলে বিটকয়েন আর উৎপাদন হবে না তখন এই 21 মিলিয়ন এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে এবং এই 21 মিলিয়ন বিটকয়েন দিয়েই আমাদের লেনদেন করতে হবে l

অর্থাৎ বিটকয়েন যখন 21 মিলিয়ন পর্যন্ত পৌঁছাবে তখন এই বিটকয়েনের দাম আরো অনেক বেশি হয়ে যাবে কারণ বিটকয়েনের উৎপাদন হচ্ছে না এই কারণে বিটকয়েনের সংকট দেখা দিবে এবং এটার value  বাড়তে  থাকবে | বিটকয়েনের সবচেয়ে বড় একটি অসুবিধা হলো সেটা হল কালোবাজারি বা অর্থপাচার,  ফিজিক্যাল অর্থ বা কাগজের মুদ্রা নিয়ন্ত্রক যেমন গভারমেন্ট ব্যাংক রয়েছে কিন্তু বিটকয়েনের কোন নিয়ন্ত্রক নাই অর্থাৎ ফিজিক্যাল অর্থের মাধ্যমে যদি কেউ কালোবাজারি করতে যায় বা অবৈধ টাকা এক দেশ থেকে আরেক দেশে পাচার করতে চাই তাহলে পরবর্তীতে সেটা এনালাইসিস করলে গভারমেন্ট উক্ত দুইজন ট্রানজেকশন মালিককে ধরে ফেলতে পারে।

আবার যেমন পেপাল একটি ডিজিটাল অর্থ ট্রানজেকশন সিস্টেম,  এদের মাধ্যমে যদি কোন অবৈধ অর্থ এক দেশ থেকে আরেক দেশে পাচার করতে যায় তাহলে পেপাল সেটাকে ধরে ফেলতে পারে বা সেই লেনদেনটি কে সম্পূর্ণ করতে দিবেনা কিন্তু বিটকয়েন বা ক্রিপ্টোকারেন্সি ক্ষেত্রে এটা কোন ব্যাপার না বিটকয়েনের মাধ্যমে আপনি আনলিমিটেড অর্থ এক দেশ থেকে আরেক দেশের যেকোনো মানুষের কাছে চোখের নিমেষেই পৌঁছে দিতে পারবেন যেটা দেখতে পারবে সবাই কিন্তু কে কার কাছে পাঠালো এইটা জানতে পারবে না এক্ষেত্রে একটা বড় সমস্যা রয়েছে বিটকয়েনের আর এই সমস্যার কারণেই bitcoin বিভিন্ন দেশের গভারমেন্ট তাদের দেশে সাপোর্ট করে না বা সাপোর্ট করতে ভয় পায় ।

তো অল ওভার বিটকয়েনের ব্যবহারের সুবিধা দেখতে আলোচনা করতে গেলে bitcoin লেনদেন করতে তৃতীয় কোনো পক্ষের নিকট নির্ভর হতে হয়না তৃতীয় কোন পক্ষকে অথরিটি প্রদান করতে হয় না তৃতীয় কোনো ব্যক্তিকে বা পক্ষকে কোন কমিশন বা ভ্যাট প্রদান করতে হয় না এবং হার্ডলি সিকিউর ভাবে লেনদেন করা যায় l সে ক্ষেত্রে বিটকয়েন ক্রিপ্টোকারেন্সি ধীরে ধীরে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আর কালোবাজারি বা অর্থপাচার এর দিক থেকে বিবেচনা করতে গেলে এই বিষয়টা প্রত্যেকটা দেশের জনগণের কাছে অনেক মজার একটা বিষয় কারণ যারা ড্রাগ সাপ্লাই করে বা কেনাবেচা করে তারা কিন্তু খুব সহজে অর্থ লেনদেন করতে পারে l

ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েনের মাধ্যমে কিন্তু উক্ত দেশের সরকার বা গভারমেন্ট এটা চায়না  But, জনগণের কাছে এটা খুবই ভালো একটা দিক এজন্য প্রত্যেকটা দেশের গভারমেন্ট বিটকয়েন নিয়ে অনেক সতর্ক থাকে এবং বেশিরভাগ দেশেই বিটকয়েন কে এখন পর্যন্ত বৈধতা ঘোষণা করিনি | তো এই ছিল মোটামুটি বিটকয়েনের আলোচনা এবার সামান্য কিছু ধারনা দিব বিটকয়েনের দাম সম্পর্কে 2008 সালে বিটকয়েনের দাম ছিল মাত্র 250 ডলার কিন্তু এখন 2021 সালের শেষের দিকে এসে বিটকয়েনের দাম সর্বোচ্চ 66 হাজার ডলার পর্যন্ত পৌঁছে গেছে | বিটকয়েনের 2008 সাল থেকে 2021 সাল পর্যন্ত প্রত্যেকটি প্রত্যেকটি মাসের এর দাম ওঠানামা যে হিস্টরি সেটা নিয়ে আলোচনা করব অন্য আরেকটি পোস্টে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button