Bitcoin News

ক্রিপ্টোকারেন্সি কি Cryptocurrency কিভাবে লেনদেন করে

আসসালামু আলাইকুম আপনারা সবাই কেমন আছেন আশা করি ভাল আছেন। আজকে আপনাদের সামনে নতুন একটি টপিক নিয়ে আলোচনা করব এটি বর্তমানে ভাইরাল টপিক এবং ভবিষ্যতেও অনেক বড় একটি পজিটিভ ইফেক্ট ফেলতে পারে অর্থনীতির ওপরে যার নাম হল ক্রিপ্টোকারেন্সি (Cryptocurrency) অনেকে আমার কাছে জানতে চেয়েছে ক্রিপ্টোকারেন্সি কি এবং এটি কিভাবে কাজ করে এবং কোন কোন দেশে ব্যবহার হচ্ছে এবং এটির ভবিষ্যৎ কী?

What Is Cryptocurrency – Bitcoin News

তো আজকে সব প্রশ্নের উত্তর এই ব্লগের মাধ্যমে দিবো। নতুন যারা আছেন যারা ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে বুঝেন না তাদের আজকে সব কিছু বোঝানোর জন্য আলোচনা করব। ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে যদি বলতে হয় তাহলে আগে একটি উদাহরণ দিয়ে বুঝায়ে দেই ধরেন আপনি আমেরিকার থাকেন এবং আমেরিকার কোন জিনিসপত্র কেনা কাটা করতে হলে আপনাকে সর্বপ্রথম আমেরিকান ডলার ব্যবহার করতে হবে এখানে আপনি বাংলাদেশী টাকা বা ইন্ডিয়ান রুপি সৌদি রিয়াল ব্যবহার করে আমেরিকার পণ্য কেনাকাটা করতে পারবেন না আবার আপনি যদি ইন্ডিয়াতে থাকেন তাহলে আপনাকে আর রুপি দিয়ে কেনাকাটা করতে হবে এবং বাংলাদেশে থাকলে টাকা দিয়ে মালয়েশিয়াতে থাকলে রিঙ্গিত দিয়ে অর্থাৎ আপনি যে দেশে কেনাকাটা করবেন শুধুমাত্র সেই দেশের নির্ধারিত কারেন্সি দিয়ে কেনাকাটা লেনদেন করতে পারবেন অন্য কোন কারেন্সি দিয়ে পারবেন না।

কিন্তু এই ক্রিপ্টোকারেন্সি এমন একটি মুদ্রা যেটা ব্যবহার করে আপনি পৃথিবীর যে কোন দেশের সাথে লেনদেন করতে পারবেন কোন প্রকার মানি এক্সচেঞ্জ ছাড়া। এক্ষেত্রে আপনার কোন মানে এক্সচেঞ্জ করা লাগবে না কোন প্রকার কারেন্সি কনভার্ট করা প্রয়োজন হবেনা শুধুমাত্র আপনার কাছে ক্রিপ্টোকারেন্সি থাকলেই আপনি দেশে বসে বিদেশের যে কোন কেনাকাটার ক্ষেত্রে এই ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহার করতে পারবেন এমনকি এটি যদি আপনার নিজ দেশেও সীকৃত থাকে তাহলে আপনি এটা নিজের দেশে ব্যবহার করে যে কোন লেনদেন করতে পারবেন বা পণ্য কেনাকাটা করতে পারবেন। ডলার টাকা রিঙ্গিত রুপি এইসব কারেন্সি গুলা তাদের নিজ নিজ দেশের গভারমেন্ট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক এটি পরিচালনা করে সরকার যদি চায় তাহলে এইসব কারেন্ট যেগুলো সীমিত করে দিতে পারে এবং এগুলা মান কমিয়ে বাড়িয়ে দিতে পারে যেটার ওপর জনগণের কোনো হাত নেই সরকার এবং গভমেন্ট ব্যাংক খোলা যে সিদ্ধান্ত নিবে ক্রিপ্টোকারেন্সি সেভাবেই পরিচালিত হবে।

যেমন ইন্ডিয়ান রুপি কে নিয়ন্ত্রণ করে রির্জাভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং ইউরো কে নিয়ন্ত্রণ করে ইউরোপিয়ান বিভিন্ন ব্যাংকের সমষ্টি, আর ডলার কে নিয়ন্ত্রণ করে ফেডাল রিজার্ভ ব্যাংক এবং বাংলাদেশী টাকা কে নিয়ন্ত্রণ করে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক ঠিক একই ভাবে প্রত্যেকটা দেশের মুদ্রা কে নিয়ন্ত্রণ করে ওই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু ক্রিপ্টোকারেন্সি কে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য আজ পর্যন্ত কোন ব্যাংক তৈরি হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না ক্রিপ্টোকারেন্সি গুলা নিজেরা নিজের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এটা অন্য কারো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না আপনাদের এখন মনে হতে পারে আসলে কিন্তু কারেন্সি কোনগুলা এবং তাদের নাম কি বলুন এখন আমি বেশ কয়েকটি প্রথম সারির ক্রিপ্টোকারেন্সি নাম উল্লেখ করব।

আপনারা হয়তো অনেকেই বিটকয়েন এর নাম শুনেছেন আবার অনেকেই শোনেন নি তো এই বিটকয়েন( Bitcoin ) হল ক্রিপ্টোকারেন্সি জগতের সর্বপ্রথম আবির্ভাব করে এবং এটির সবচেয়ে ডিমান্ড বেশি এছাড়া আরো অনেক কয়েন রয়েছে যেগুলো হলো ইথেরিয়াম, লাইট কয়েন, রিপল, জেড ক্যাশ, ডগি কয়েন, BNB Coin, Dock, XRP, EOS, Swipe, Coti, reef finance, SLM, TRX Token অথবা Coin ইত্যাদি।

এগুলা সব গুলোই এক একটি আলাদা আলাদা ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং এটি 2013 সাল থেকে আজ পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মার্কেটের মধ্যে এসেছে তবে এগুলোর মধ্যে অনেকগুলো অনেক বেশি এবং অনেকের ভ্যালু খুবই কম এবং অনেকের ভাল মাঝামাঝি। আবার অনেক ক্রিপ্ত কারেন্সি আছে যেগুলো যেগুলার তেমন কোন ভ্যালু নাই বা ফেক ক্রিপ্টোকারেন্সি বলে মার্কেটে আবির্ভাব হয় তো যাই হোক উপরে যে কয়েকটি ক্রিপ্টোকারেন্সি নাম উল্লেখ করলাম সবগুলোই নিজেদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এটা যাকে বলে ডিসেন্ট্রালাইজ যা অন্য কারো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না এদের মান এবং সিকিউরিটি এরা নিজেরাই ঠিক করে তবে, এসব ক্রিপ্টোকারেন্সি 2 টি বৈশিষ্ট্য রয়েছে সেটি হল যে ক্রিপ্টোকারেন্সি কারেন্সি যত বেশি ব্যবহার হবে সেই ক্রিপ্টোকারেন্সি মান কত বৃদ্ধি পাবে অর্থাৎ মার্কেটে যেতে বিটকয়েন বেশি মানুষ কেনে তাহলে এই কারেন্সির দাম দ্রুত বাড়তে থাকবে এভাবে অন্যান্য কয়েন গুলো যত বেশি মানুষ কিনতে থাকবে ততবেশি মার্কেটের পরিধি বাড়তে থাকবে অর্থাৎ এটাকে বলা হয় মার্কেট ক্যাপ এবং যত বেশি মানুষ এটি অবহেলা করবে বা কেনার পরে বিক্রি করবে তত বেশি এটির দাম কমতে থাকবে অর্থাৎ প্রত্যেকটা দোকানের মান বাড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহারটা অত্যন্ত বেশি জরুরি।

এবার জানা যাক প্রত্যেকটা ক্রিপ্টোকারেন্সি কিভাবে কাজ করে?

আসলে সবগুলো ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্লকচেইন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ করে আসলে ব্লকচেইন (Blockchain) টা কি সেটা আগে বলি ব্লকচেইন টেকনোলজি টা হল পারসন টু ট্রানজেকশনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এবং এই ব্লকচেইন টেকনোলজি টা সম্পূর্ণ সিকিউর থাকে উপরে যে কয়টি ক্রিপ্টোকারেন্সি নাম করেছি বা যতগুলা কিন্তু কারেন্সি মার্কেটে আছে সবগুলো ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্লকচেইন এর মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় এবং প্রত্যেকের ব্লকচেইন আলাদা আলাদা তবে কিছু কিছু কারেন্সি একই চেইন এর মাধ্যমে কাজ করে। আপনারা হয়তো জানেন যে যদি কোন ব্যক্তি ব্যাংকের লেনদেন করেন বা ট্রানজেকশন করে সেক্ষেত্রে তৃতীয় ব্যক্তির হস্তক্ষেপের যেমন ব্যাংক কর্মকর্তা আপনি যদি কোন অঞ্চল থেকে পণ্য কিনে ব্যাংকে পেমেন্ট করেন সেক্ষেত্রে আপনাকে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া লাগবে

এখন ব্যাংকের কর্মকর্তারা চাইলে সেই লেনদেনটি কমিয়ে বাড়িয়ে দিতে পারে, কিন্তু ব্লকচেইন এর ক্ষেত্রে কারো সাধ্য নেই যে লেনদেনের পরিমাণ কমিয়ে অথবা বাড়িয়ে জালিয়াতি করার। ব্লকচেইন টেকনোলজির মাধ্যমে লেনদেন করলে দুনিয়ার কারো সাধ্য নেই এটা কোন পরিবর্তন করা এমনকি লেনদেন করার ক্ষেত্রে যদি কোন ভুল জায়গায় ভুল ঠিকানায় আপনার অর্থ ট্রানজেকশন করে ফেলেন সেক্ষেত্রেও সেটা ফেরত আনার কোন উপায় নাই যেহেতু এটার কোনো নিয়ন্ত্রণ বা তৃতীয় পক্ষের কোনো হস্তক্ষেপ নাই এই কারণে এটা খুবই বেশি সিকিউর এবং sensitive’ আরেকটি বিষয় হলো আপনি যদি বাংলাদেশ বা ভারতে বসে আমেরিকা লন্ডন অথবা ইউরোপ কান্ট্রি কোন একটি দেশে লেনদেন করতে চান সে ক্ষেত্রে আপনাকে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের যেকোনো একটি ব্যাংকে টাকা জমা দিতে হবে এবং সেই টাকাটা আপনি যে দেশে লেনদেন করতে চান সেই দেশের কারেন্সি তে কনভার্ট হবে এবং সেই দেশের ব্যাংকে পৌঁছাবে তারপর উক্ত টাকাটা আপনি যার কাছে পণ্য কিনবেন তার হাতে পৌঁছাবে।

অথচ Blockchain technology এর মাধ্যমে crypto currency লেনেদেন করলে সেটা কেউ দেখতে পারবে না বা তৃতীয় কোনো ব্যক্তি জানতে পারবে না শুধুমাত্র আপনি যার সাথে লেনদেন করবেন তার ওয়ালেটের অ্যাড্রেস থাকলেই চলবে। শুধুমাত্র আপনি এবং আপনার ওই কাঙ্খিত ব্যক্তি জানতে পারবে আপনাদের মধ্যে লেনদেনটি হতে চলেছে। তবে এই লেনদেনের সিকিউরিটি দেবেন ওই সব ব্লকচেইন টেকনোলজি আর এক্ষেত্রে কিছু পরিমাণ রিওয়ার্ড পাবেন এই ক্রিপ্টোকারেন্সি এগুলা ছাড়া মাইনিং করে। আশাকরি মোটামুটি আপনারা বুঝতে পেরেছেন এবার আলোচনা করব কিন্তু কারেন্সিগুলো কোন কোন দেশে অনুমোদিত প্রথমত বলতে গেলে এটি কানাডাতে অনুমোদিত এমনকি কানাডা দেশে এটির বুথ রয়েছে এদেশে রাস্তাঘাটে ক্রিপ্টোকারেন্সি বুথ রয়েছে যেখান থেকে লেনদেন সম্পুর্ণ করতে পারবেন অথবা Cryptocurrency থেকে ফিজিক্যাল ডলার এ পরিবর্তনও করতে পারবেন।

এবার যেটা বলা দরকার সেটা হল চায়না এই দেশটি প্রথমদিকে ক্রিপ্টোকারেন্সি কে অনুমোদন দেয়নি পরে এটিকে অনুমোদন দিয়েছেন এবং বর্তমানে চায়নার সরকার ভবিষ্যতে তাদের সমস্ত লেনদেন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ক্রিপ্টোকারেন্সি মাধ্যমে পরিচালনা করার জন্য পরিকল্পনা করছেন এবং চায়নার নিজস্ব একটি ক্রিপ্টো কয়েন রয়েছে এই মুহূর্তে কয়েন নাম আমার মনে পড়ছে না, খুব সম্ভবত মিউ কয়েন হবে হয়তো। এবার আসি ডেনমার্ক এই দেশটি অনেক আগে থেকেই ক্রিপ্টোকারেন্সি ওপর আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং বিটকয়েন কে অনেক আগেই স্বীকৃতি প্রদান করেছে এবং এখন অন্যান্য কারেন্সিগুলো একসেপ্ট করার জন্য পরিকল্পনা করছেন।

এরপর আছে নেদারল্যান্ড এই দেশটি তাদের সমস্ত ফিজিক্যাল মুদ্রাগুলো উঠিয়ে ডিজিটাল বা ভার্চুয়াল মুদ্রা লেনদেন করার জন্য বিভিন্ন গবেষণা করছেন এবং ব্লকচেইন টেকনোলজির কথা ভাবছেন। এরপর হল রাশিয়া এই দেশটি অনেক আগে থেকে বিটকয়েন এবং অন্যান্য কয়েকটি বড় বড় কয়েন কে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং তাদের দেশে বিটকয়েন মাইনিং করার জন্য মাইনিং মেশিন রয়েছে। তাদের দেশে 2018 সাল থেকে বিভিন্ন ধরনের ক্রিপ্টো কয়েন মাইনিং করছেন এবং বৈধতা প্রদান করেছে।

এবার বলি সাউথ কোরিয়ার কথা এই দেশটি কথা না বললেই নয় কারণ এই দেশটিতে যুক্ত কারেন্সির স্বর্গ রয়েছে। পুরো পৃথিবীতে যত কয়েন ট্রেডিং হয় তার 30% ক্রিপ্টোকারেন্সি সাউথ কোরিয়াতে ট্রেডিং হয় অর্থাৎ মাইনিং হয় এবং তারা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে তাদের সমস্ত ফিজিকাল মুদ্রা/নোট উঠিয়ে নেয়ার পরিকল্পনায় আছেন। এরপর আসে সুইজারল্যান্ড এই সুইজারল্যান্ডে তাদের সমস্ত সরকারি ট্রানজেকশন যেমন গ্যাস বিদ্যুত বিল পানির বিল সহ আরো অন্যান্য বিল ক্রিপ্টোকারেন্সি মাধ্যমে পরিশোধ করার জন্য বৈধতা আছে এমনকি তাদের পৌরসভায় বসবাস করার জন্য যে ট্যাক্স প্রদান করা হয় সেগুলো পরিশোধ করতে পারে বিটকয়েন, লাইট কয়েন, ইথারিয়াম ইত্যাদির মাধ্যমে। এরপর বলে ইউকে এর কথা এই দেশটি অন্যান্য দেশের মতো অনেকগুলো কয়েন একসেপ্ট করেছেন এবং ভবিষ্যতেও ক্রিপ্টোকারেন্সির মধ্যে যেতে চাচ্ছেন।

এরপর আসে জাপানের কথাই জাপান হল এমন একটা জিনিস যেটা ক্রিপ্টোকারেন্সি সৃষ্টি সম্পর্কে তাদের বড় একটি অবদান রয়েছে এবং বিটকয়েনের লিগাল দাবি জাপানি করেছেন। জাপান তাদের দেশে মুদির দোকান সহ বিভিন্ন শপ এবং সরকারি কার্যক্রম এর পেমেন্ট ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েন থোরিয়াম লাইট কয়েন এর মাধ্যমে গ্রহণ করে।

এছাড়া বিভিন্ন উন্নত দেশ রয়েছে যারা 2015 সাল থেকে বিটকয়েন কে তাদের লেনদেনের মাধ্যমে এনেছেন এবং সমস্ত দেশে ডিজিটাল দেশে রূপান্তরিত হওয়ার জন্য বা তাদের অর্থনৈতিক লেনদেন কে ডিজিটাল করার জন্য ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং ব্লকচেইন টেকনোলজির মধ্যে যাওয়ার চেষ্টা করছে। আশা করি আপনারা সকলেই ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কে ভালভাবেই বুঝতে পেরেছেন তবে আরও বিশেষ কিছু তথ্য আপনাদের কে দিয়ে রাখি সেটা হল ইউরোপ মহাদেশের বিভিন্ন উন্নত দেশের ক্রিপ্টোকারেন্সি গবেষকরা এদিকে নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন এবং বিভিন্ন দেশ এটির উপরে গবেষণা করছেন যে তারা তাদের মূল মুদ্রাকে উঠিয়ে নিয়ে ভার্চুয়াল মুদ্রা অর্থাৎ বিটকয়েন লাইট কয়েন ইথারিয়াম সহ অন্যান্য বড় বড় কয়েন এর মাধ্যমে সমস্ত প্রকার লেনদেন সম্পন্ন করার জন্য।

বিটকয়েন সর্বপ্রথম 2013 সালের দিকে প্রথম আসে এবং তখন এটির মূল্য ছিল 120 ডলারের নিচে এবং বর্তমানে এটির দাম 50 হাজার ডলারের নিচে চলছে তবে এটি সর্বোচ্চ দাম উঠেছিল 64 হাজার ডলার পর্যন্ত এভাবেই বিটকয়েনের দাম ওঠানামা করে তবে আপনি একবার ভাবুন যারা 2013 সাল অথবা 2016-17 সালের পরে বিটকয়েন অথবা অন্যান্য কয়েন কিনে রেখেছেন তাদের কি পরিমান লাভ হয়েছে সেটার ক্যালকুলেশন করার মত মাইন্ড নাই কারন এটার এমাউন্ট অনেক বেশি।

তাছাড়া বিটকয়েন এর মূল্য আগামী 2022 সালের মধ্যে এক লক্ষ ডলার থেকে 1 লক্ষ 75 হাজার ডলার পর্যন্ত যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এটি যাবেই বলে ধরে নেওয়া যায়। আর এই বিটকয়েনের ওঠানামা করার কারণে ট্রেডিং মার্কেটপ্লেসে বিভিন্ন ট্রেডাররা বিটকয়েন কেনাবেচা করে মার্কেট যখন ডাউনে আসে তখন তারা এটি কিনে রাখে এবং মার্কেট যখন উপরের যায় এটি বিক্রি করে এর মাঝখানে তাদের একটা বিরাট আকারের লাভ হয়ে যায় তবে যাদের এমন ছোট তারা bitcoin না কিনে অন্যান্য ছোট coin যেমন লাইট কয়েন ইথারিয়াম বা অন্যান্য আরো অনেক ছট কয়েন গুলো কিনে রাখে কারণ ছোট কয়েনগুলো অনেক বেশি পরিমাণ লাভ করা যায় যাইহোক আপনারা বিটকয়েন ট্রেডিং এর মাধ্যমে কিভাবে ইনকাম করতে হয় এর একটি পরিপূর্ণ টিউটোরিয়াল বা ব্লক পেতে চান তাহলে নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন আশা করি সামনের দিনে কিভাবে বিটকয়েন অথবা অন্যান্য কয়েনে ট্রেডিং করে আপনার মূল ফান্ডকে প্রতিবছরে 2 গুণ থেকে 10 গুণ করতে পারবেন সেই আর্টিকেল দেওয়ার চেষ্টা করবো।

6 Comments

  1. Thanks for the marvelous posting! I seriously enjoyed reading it,
    you might be a great author. I will be sure to bookmark
    your blog and will come back at some point. I
    want to encourage you continue your great work, have
    a nice afternoon!

  2. Excellent beat ! I wish to apprentice even as you
    amend your web site, how could i subscribe for a weblog website?

    The account aided me a acceptable deal. I were a little bit familiar of this
    your broadcast provided vibrant transparent concept

  3. Very nice post. I just stumbled upon your blog and wished to say that
    I have really enjoyed surfing around your blog posts.
    In any case I will be subscribing to your feed and I hope you
    write again soon!

  4. It’s really a great and helpful piece of info.
    I am happy that you just shared this useful information with us.
    Please keep us up to date like this. Thank you for sharing.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button